বিআরটিএর অনলাইন কর আদায়ে বাড়তি ব্যয় ২১ কোটি টাকা
- আপডেট সময়: ০১:২৩:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
- / ৪৭ টাইম ভিউ
যানবাহনের কর ও ফি আদায়ের পরিমাণ বাড়ায় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) অনলাইন ব্যাংকিং ব্যবস্থার চলমান চুক্তিতে অতিরিক্ত ২১ কোটি ৪২ লাখ ৭৮ হাজার ৭৫০ টাকা ব্যয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৭ জুন) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সম্মেলন কক্ষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় প্রস্তাবটিতে অনুমোদন দেওয়া হয়।সভায় কমিটির সদস্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভা সূত্রে জানা গেছে, গত ২০২১ সালের ১৬ জুন সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদনক্রমে বিআরটিএ-এর যাবতীয় কর ও ফি অনলাইন ব্যাংকিং ব্যবস্থায় আদায়ের জন্য সার্ভিস প্রোভাইডার হিসেবে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে (সিএনএস) প্রতিটি লেনদেন/ট্রানজেকশন ৪৫ দশমিক ৩৫ টাকা দরে পাঁচ বছরে আনুমানিক ৪ কোটি ৫০ লাখ লেনদেন/ট্রানজেকশনের এন্ট্রি ফি বাবদ ২০৪ কোটি ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং পরিশোধযোগ্য খরচ খাতে ৪ কোটি ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকাসহ সর্বমোট ২১৮ কোটি ৭১ লাখ ৫০ হাজার টাকায় নিয়োগের জন্য চুক্তি করা হয়।চুক্তির মেয়াদ আগামী ২০২৬ সালের ১৬ জুলাই তারিখ শেষ হবে। মোটরযানের কর ও ফি জমার পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রক্ষেপণ বিবেচনায় চুক্তির মেয়াদোত্তীর্ণের আগেই সম্ভাব্য অতিরিক্ত ৪৫ লাখ ট্রানজেকশন বাবদ এন্ট্রি প্রতি ৪৫ দশমিক ৩৫ টাকা হিসেবে (ভ্যাট আইটিসহ) অতিরিক্ত ২১ কোটি ৪২ লাখ ৭৮ হাজার ৭৫০ টাকাসহ সর্বমোট ২৪০ কোটি ১৪ লাখ ২৮ হাজার ৭৫০ টাকার সংশোধিত চুক্তিমূল্যের ক্রয় প্রস্তাবে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হলে কমিটি তাতে অনুমোদন দিয়েছে।ভেরিয়েশন প্রস্তাব মূল চুক্তিমূল্যের ৯ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি।
ভেরিয়েশনের কারণ হিসেবে জানা যায়, ২০২২ সালের ডিসেম্বরে সরকার কর্তৃক ড্রাইভিং লাইসেন্স, মোটরযানের রেজিস্ট্রেশন ও মালিকানা বদলিসহ মোটরযানের তথ্য সংশোধনের সিস্টেম সহজীকরণ করায় এবং বিভিন্ন ধরনের কর ও ফি’র ওপর বিলম্বজনিত জরিমানা ছয়বার মওকুফ করায় ট্রানজেকশনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।















